শুষ্ক বা ভেজা, দুই ধরনের কফ দারুণ বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। বিশেষ করে শুকনো কাশি খুবই দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ কাশিতে থুতু বা কফ উৎপন্ন হয় না। এতে মনে হয়, গলায় কিছু আটকে রয়েছে যা ক্রমাগত কাশি সৃষ্টি করে। মারাত্মক সংক্রমণ, ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিস এবং ধূমপানের কারণেও শুকনো কাশির উদ্রেক হতে পারে।
এখানে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে ৫টি বহুল প্রচলিত পদ্ধতি ও উপাদানের কথা। বাড়িতেই মিলবে শুকনো কাশির সমাধান।
১. গার্গেল : বহুল প্রচলিত এবং কার্যকর এক পদ্ধতি। উষ্ণ পানিতে হালকা লবণ মিশিয়ে গার্গেল করুন। এতে বেশ আরাম মেলে।
২. মধু : ছোট থেকে বড় সবাই মধু খেয়ে এর সুভিধা ভোগ করতে পারেন। তবে ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু খাওয়ানো উচিত নয়। মধুতে বেদনানাশক উপাদান রয়েছে। এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। গলার খুশখুশে ভাব চলে যাবে।
৩. আদা : কফের নিরাময়ে এটাই সবচেয়ে কাজের জিনিস। এতে প্রদাহনাশক উপাদান রয়েছে। সামান্য পরিমাণ আদা কুচি কুচি করে কেটে নিন। এক কাপ পানিতে এই আদা গরম করে নিন। খাওয়ার আগে ঠাণ্ডা হতে দিন। ক্রমাগত কাশিতে আদা খুবই উপাকারী।
৪. হলুদ : কফের ক্ষেত্রে হলুদ ওষুধের মতো কাজ করে। এর কিছু উপাদান ইনফেকশনের ক্ষেত্রে ভালো কাজ দেয়। এতে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস রয়েছে। এক চা চামচ হলুদের গুঁড়ার সঙ্গে গুলমরিচ মিশিয়ে এক কাপ পানিতে গরম করুন। একে একটানা ২-৩ মিনিট গরম করে নিন। এটি খেলে দারুণ উপকার পাবেন।
৫. রসুন : এর বহুগুণের কথা সবাই জানেন। রসুনের অ্যালিসিন নামের উপাদান জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। এই উপাদানটি রসুনের বাজে গন্ধের কারণ হলেও তা শুকনো কাশি দূর করতে ওস্তাদ।
No comments:
Post a Comment